স্পোর্টস ডেস্ক: ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ফলে আগের আসরগুলোর সঙ্গে সাফল্যের তুলনা করা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো দল শুধু নকআউটে উঠলেই যে তাদের সর্বকালের সেরা অর্জন হবে, এমন নয়। অনেক দেশকে নিজেদের পুরোনো রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে আরও এক বা একাধিক ধাপ এগোতে হবে।
নিচে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর অতীত সেরা সাফল্য এবং নতুন ইতিহাস গড়তে কী করতে হবে, তার সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো।
বিশ্বকাপজয়ী দলগুলো
ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড ও স্পেন এই দলগুলো ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ জিতেছে। তবে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ এখনও রয়েছে।
আর্জেন্টিনা: টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতলে নতুন কীর্তি গড়বে।
ইংল্যান্ড: প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে বিশ্বকাপ জিততে হবে।
ফ্রান্স ও উরুগুয়ে: নিজ মহাদেশের বাইরে শিরোপা জিতলে নতুন ইতিহাস হবে।
রানার্স-আপ হওয়া দল
ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন এই দলগুলোর সেরা অর্জন ফাইনাল খেলা। নতুন ইতিহাস গড়তে হলে তাদের বিশ্বকাপ জিততেই হবে।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল
অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, তুরস্ক সেরা অর্জন ছাড়িয়ে যেতে হলে অন্তত ফাইনালে উঠতে হবে।
চতুর্থ বা যৌথ তৃতীয়: যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, মরক্কো
যুক্তরাষ্ট্র: সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও মরক্কো: প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলেই নতুন ইতিহাস।
কোয়ার্টার ফাইনালই সেরা সাফল্য
কলম্বিয়া, ঘানা, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে, সেনেগাল, সুইজারল্যান্ড এই দলগুলোর নতুন ইতিহাস গড়তে সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রয়োজন।
শেষ ষোলোই সর্বোচ্চ অর্জন
আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কঙ্গো, ইকুয়েডর, মিশর, হাইতি, ইরান, জাপান, নরওয়ে, সৌদি আরব, স্কটল্যান্ড, তিউনিসিয়া এই দলগুলোর জন্য ইতিহাস গড়ার অর্থ হবে অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা।
বিশেষ করে:
স্কটল্যান্ড কখনও নকআউট ম্যাচ জেতেনি। জাপান চারবার শেষ ষোলোতে উঠলেও কখনও কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া দুইবার নকআউটে উঠেও প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াই সেরা অর্জন
নিউজিল্যান্ড, কানাডা, ইরাক, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, আইভরি কোস্ট, পানামা, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা
এদের জন্য নকআউট পর্বে ওঠা হবে অতীতের সেরা সাফল্যের সমতুল্য। শেষ ষোলো পেরোতে পারলে তৈরি হবে নতুন ইতিহাস।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান, উজবেকিস্তান
এই চার দলের জন্য প্রথম পয়েন্ট বা প্রথম জয় বড় অর্জন। নকআউটে ওঠা হলে সেটি হবে রূপকথার মতো সাফল্য।
নতুন ফরম্যাটে ইতিহাসের নতুন সংজ্ঞা
৪৮ দলের বিশ্বকাপ অনেক দেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে শুধু গ্রুপ পর্ব পেরোনো বা শেষ ৩২-এ থাকা আগের যুগের অর্জনের সঙ্গে সরাসরি তুলনাযোগ্য নয়। তাই প্রকৃত ইতিহাস গড়তে বেশিরভাগ দলকেই নিজেদের অতীত সেরা পারফরম্যান্সের চেয়ে অন্তত এক ধাপ বেশি এগোতে হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক: ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ফলে আগের আসরগুলোর সঙ্গে সাফল্যের তুলনা করা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো দল শুধু নকআউটে উঠলেই যে তাদের সর্বকালের সেরা অর্জন হবে, এমন নয়। অনেক দেশকে নিজেদের পুরোনো রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে আরও এক বা একাধিক ধাপ এগোতে হবে।
নিচে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর অতীত সেরা সাফল্য এবং নতুন ইতিহাস গড়তে কী করতে হবে, তার সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো।
বিশ্বকাপজয়ী দলগুলো
ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড ও স্পেন এই দলগুলো ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ জিতেছে। তবে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ এখনও রয়েছে।
আর্জেন্টিনা: টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতলে নতুন কীর্তি গড়বে।
ইংল্যান্ড: প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে বিশ্বকাপ জিততে হবে।
ফ্রান্স ও উরুগুয়ে: নিজ মহাদেশের বাইরে শিরোপা জিতলে নতুন ইতিহাস হবে।
রানার্স-আপ হওয়া দল
ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন এই দলগুলোর সেরা অর্জন ফাইনাল খেলা। নতুন ইতিহাস গড়তে হলে তাদের বিশ্বকাপ জিততেই হবে।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল
অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, তুরস্ক সেরা অর্জন ছাড়িয়ে যেতে হলে অন্তত ফাইনালে উঠতে হবে।
চতুর্থ বা যৌথ তৃতীয়: যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, মরক্কো
যুক্তরাষ্ট্র: সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও মরক্কো: প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলেই নতুন ইতিহাস।
কোয়ার্টার ফাইনালই সেরা সাফল্য
কলম্বিয়া, ঘানা, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে, সেনেগাল, সুইজারল্যান্ড এই দলগুলোর নতুন ইতিহাস গড়তে সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রয়োজন।
শেষ ষোলোই সর্বোচ্চ অর্জন
আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কঙ্গো, ইকুয়েডর, মিশর, হাইতি, ইরান, জাপান, নরওয়ে, সৌদি আরব, স্কটল্যান্ড, তিউনিসিয়া এই দলগুলোর জন্য ইতিহাস গড়ার অর্থ হবে অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা।
বিশেষ করে:
স্কটল্যান্ড কখনও নকআউট ম্যাচ জেতেনি। জাপান চারবার শেষ ষোলোতে উঠলেও কখনও কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া দুইবার নকআউটে উঠেও প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াই সেরা অর্জন
নিউজিল্যান্ড, কানাডা, ইরাক, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, আইভরি কোস্ট, পানামা, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা
এদের জন্য নকআউট পর্বে ওঠা হবে অতীতের সেরা সাফল্যের সমতুল্য। শেষ ষোলো পেরোতে পারলে তৈরি হবে নতুন ইতিহাস।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান, উজবেকিস্তান
এই চার দলের জন্য প্রথম পয়েন্ট বা প্রথম জয় বড় অর্জন। নকআউটে ওঠা হলে সেটি হবে রূপকথার মতো সাফল্য।
নতুন ফরম্যাটে ইতিহাসের নতুন সংজ্ঞা
৪৮ দলের বিশ্বকাপ অনেক দেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে শুধু গ্রুপ পর্ব পেরোনো বা শেষ ৩২-এ থাকা আগের যুগের অর্জনের সঙ্গে সরাসরি তুলনাযোগ্য নয়। তাই প্রকৃত ইতিহাস গড়তে বেশিরভাগ দলকেই নিজেদের অতীত সেরা পারফরম্যান্সের চেয়ে অন্তত এক ধাপ বেশি এগোতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন