গত ১১ জুন বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করেন নোরা। অনুষ্ঠানে কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরা, নাইজেরিয়ার বার্না বয় এবং কানাডায় নোরার পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
উদ্বোধনী আয়োজনে নোরা পরিবেশন করেন তার জনপ্রিয় গান ‘সির সির’। আরবি এই শব্দগুচ্ছের অর্থ ‘এগিয়ে চলো’ বা ‘সামনে এগিয়ে যাও’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই গানের অনুপ্রেরণার গল্পও শোনান তিনি।
নোরা জানান, মরক্কোয় ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে প্রথমবার ‘সির সির’ স্লোগানের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। স্টেডিয়ামে হাজারো দর্শকের একসঙ্গে এই স্লোগান দেওয়া তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
তার ভাষায়, “মরক্কোয় ম্যাচ দেখতে গিয়ে প্রায় প্রতিটি খেলায় ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ বলতে শুনেছি। সেই আবেগ আমাকে এতটাই স্পর্শ করেছিল যে, পরে প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে একটি বিশ্বকাপ গান তৈরির অনুরোধ করি।”
বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা তার শিল্পীজীবনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলেও জানান নোরা। একই অনুষ্ঠানে শাকিরা, বার্না বয় এবং কেটি পেরির মতো আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে নিজের নাম উচ্চারিত হওয়াকে গর্বের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নোরা মনে করেন, ভিন্ন সংস্কৃতি ও সঙ্গীতধারার শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করলে সেখান থেকেই সৃষ্টি হয় অসাধারণ কিছু। তার মতে, সংগীত মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
গত ১১ জুন বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করেন নোরা। অনুষ্ঠানে কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরা, নাইজেরিয়ার বার্না বয় এবং কানাডায় নোরার পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
উদ্বোধনী আয়োজনে নোরা পরিবেশন করেন তার জনপ্রিয় গান ‘সির সির’। আরবি এই শব্দগুচ্ছের অর্থ ‘এগিয়ে চলো’ বা ‘সামনে এগিয়ে যাও’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই গানের অনুপ্রেরণার গল্পও শোনান তিনি।
নোরা জানান, মরক্কোয় ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে প্রথমবার ‘সির সির’ স্লোগানের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। স্টেডিয়ামে হাজারো দর্শকের একসঙ্গে এই স্লোগান দেওয়া তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
তার ভাষায়, “মরক্কোয় ম্যাচ দেখতে গিয়ে প্রায় প্রতিটি খেলায় ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ বলতে শুনেছি। সেই আবেগ আমাকে এতটাই স্পর্শ করেছিল যে, পরে প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে একটি বিশ্বকাপ গান তৈরির অনুরোধ করি।”
বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা তার শিল্পীজীবনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলেও জানান নোরা। একই অনুষ্ঠানে শাকিরা, বার্না বয় এবং কেটি পেরির মতো আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে নিজের নাম উচ্চারিত হওয়াকে গর্বের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নোরা মনে করেন, ভিন্ন সংস্কৃতি ও সঙ্গীতধারার শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করলে সেখান থেকেই সৃষ্টি হয় অসাধারণ কিছু। তার মতে, সংগীত মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি।

আপনার মতামত লিখুন