ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

সততার হার ৯৯ শতাংশের বেশি! পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান যা বলছে



সততার হার ৯৯ শতাংশের বেশি! পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান যা বলছে

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘৯৯ শতাংশ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল’ মন্তব্যকে ঘিরে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বুধবার রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, আইজিপির বক্তব্যটি মূলত ‘বার্ষিক তথ্য’ বা একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। গত চার বছর (২০২২-২৫) সময়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গৃহীত ও অনুসন্ধানে পাঠানো মোট অভিযোগের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৮২। বর্তমানে দেশে মোট পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪। সে হিসাবে গড় বার্ষিক অভিযোগের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৭০ দশমিক ৫টি, যা মোট সদস্যের মাত্র ০.৯০ শতাংশ।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বলেছে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে এক শতাংশের কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা অস্বাভাবিক নয়; বরং এটি একটি নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এই হার থেকে বোঝা যায়, বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নজরদারি ও শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম কার্যকর রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সব অভিযোগই দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সমস্যা বা পেশাগত অদক্ষতার মতো বিষয়ও অভিযোগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়, যা সরাসরি অসততা নির্দেশ করে না। এসব বিষয় বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতি বা অসততার হার আরও কমে শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতে, বিপুলসংখ্যক সদস্যের মধ্যে অল্প কিছু সদস্যের অনিয়মই সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। কিন্তু পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

আইজিপি তার বক্তব্যে মূলত এই চিত্রই তুলে ধরতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


সততার হার ৯৯ শতাংশের বেশি! পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান যা বলছে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘৯৯ শতাংশ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল’ মন্তব্যকে ঘিরে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বুধবার রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, আইজিপির বক্তব্যটি মূলত ‘বার্ষিক তথ্য’ বা একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। গত চার বছর (২০২২-২৫) সময়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে গৃহীত ও অনুসন্ধানে পাঠানো মোট অভিযোগের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৮২। বর্তমানে দেশে মোট পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪। সে হিসাবে গড় বার্ষিক অভিযোগের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৭০ দশমিক ৫টি, যা মোট সদস্যের মাত্র ০.৯০ শতাংশ।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বলেছে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে এক শতাংশের কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা অস্বাভাবিক নয়; বরং এটি একটি নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এই হার থেকে বোঝা যায়, বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নজরদারি ও শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম কার্যকর রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সব অভিযোগই দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সমস্যা বা পেশাগত অদক্ষতার মতো বিষয়ও অভিযোগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়, যা সরাসরি অসততা নির্দেশ করে না। এসব বিষয় বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতি বা অসততার হার আরও কমে শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতে, বিপুলসংখ্যক সদস্যের মধ্যে অল্প কিছু সদস্যের অনিয়মই সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। কিন্তু পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিকাংশ পুলিশ সদস্যই নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

আইজিপি তার বক্তব্যে মূলত এই চিত্রই তুলে ধরতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত