ভারত–মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
আর্থকোয়েক ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকা, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে। অধিক গভীরতায় উৎপন্ন হওয়ায় এর তীব্রতা ভূপৃষ্ঠে কিছুটা কম অনুভূত হয়েছে। ফলে মাঝারি মাত্রার হলেও দেশে মৃদু কম্পন দেখা যায়।
অন্যদিকে, ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে মণিপুরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল কামজং এলাকায় এবং গভীরতা ছিল প্রায় ৬২ কিলোমিটার।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ এবং এর গভীরতা ছিল ১০০ দশমিক ৬ কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ভারত–মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
আর্থকোয়েক ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকা, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে। অধিক গভীরতায় উৎপন্ন হওয়ায় এর তীব্রতা ভূপৃষ্ঠে কিছুটা কম অনুভূত হয়েছে। ফলে মাঝারি মাত্রার হলেও দেশে মৃদু কম্পন দেখা যায়।
অন্যদিকে, ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে মণিপুরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল কামজং এলাকায় এবং গভীরতা ছিল প্রায় ৬২ কিলোমিটার।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ এবং এর গভীরতা ছিল ১০০ দশমিক ৬ কিলোমিটার।

আপনার মতামত লিখুন