রমজানের শেষ দশকের নীরবতা যখন আকাশে চিরন্তন মায়ার মতো বিরাজ করে, মুসলিম হৃদয়ে জেগে ওঠে এক গভীর প্রত্যাশা—লাইলাতুল কদরের রাতের। এটি কেবল একটি রাত নয়, বরং রহমত, ক্ষমা ও আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের প্রতীক।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” অর্থাৎ এক রাতের ইবাদতের সওয়াব প্রায় তিরাশি বছরের সমান। নবী করিম (সা.) বলেন, এই রাতে ইবাদতে দাঁড়ানো মানুষের পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়।
এই রাতের গুরুত্ব শুধু আধ্যাত্মিক নয়, ইতিহাসের দিক থেকেও অনন্য। কুরআনের প্রথম বাণী এই রাতে অবতীর্ণ হয়েছিল, যা মানবসভ্যতার জন্য জ্ঞানের আলো এবং ন্যায়ের নতুন অধ্যায় উন্মোচিত করে।
লাইলাতুল কদরের নির্দিষ্ট সময় গোপন থাকায় মুমিনরা শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতে নিয়োজিত হয়। প্রধান আমল হলো দোয়া, যেমন নবীজি (সা.) শেখান: “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি”—হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, আমাকে ক্ষমা করুন।
এই রাত মানুষের অন্তরের অন্ধকার দূর করে, ভুল-ত্রুটি মুছে নতুন জীবনের শক্তি দেয়। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা যখন মানুষের আধ্যাত্মিক শিকড়ের সাথে দূরত্ব তৈরি করে, লাইলাতুল কদর মনে করিয়ে দেয়, জীবন কেবল দুনিয়ার জন্য নয়, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য।
এই রাত মানব আত্মার জন্য এক নবজাগরণের মুহূর্ত, যেখানে রহমত, ক্ষমা ও আধ্যাত্মিক আলোর ছোঁয়া প্রতিটি মুমিনের অন্তরে প্রবাহিত হয়।
এসএইচ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
রমজানের শেষ দশকের নীরবতা যখন আকাশে চিরন্তন মায়ার মতো বিরাজ করে, মুসলিম হৃদয়ে জেগে ওঠে এক গভীর প্রত্যাশা—লাইলাতুল কদরের রাতের। এটি কেবল একটি রাত নয়, বরং রহমত, ক্ষমা ও আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের প্রতীক।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” অর্থাৎ এক রাতের ইবাদতের সওয়াব প্রায় তিরাশি বছরের সমান। নবী করিম (সা.) বলেন, এই রাতে ইবাদতে দাঁড়ানো মানুষের পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়।
এই রাতের গুরুত্ব শুধু আধ্যাত্মিক নয়, ইতিহাসের দিক থেকেও অনন্য। কুরআনের প্রথম বাণী এই রাতে অবতীর্ণ হয়েছিল, যা মানবসভ্যতার জন্য জ্ঞানের আলো এবং ন্যায়ের নতুন অধ্যায় উন্মোচিত করে।
লাইলাতুল কদরের নির্দিষ্ট সময় গোপন থাকায় মুমিনরা শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতে নিয়োজিত হয়। প্রধান আমল হলো দোয়া, যেমন নবীজি (সা.) শেখান: “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি”—হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, আমাকে ক্ষমা করুন।
এই রাত মানুষের অন্তরের অন্ধকার দূর করে, ভুল-ত্রুটি মুছে নতুন জীবনের শক্তি দেয়। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা যখন মানুষের আধ্যাত্মিক শিকড়ের সাথে দূরত্ব তৈরি করে, লাইলাতুল কদর মনে করিয়ে দেয়, জীবন কেবল দুনিয়ার জন্য নয়, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য।
এই রাত মানব আত্মার জন্য এক নবজাগরণের মুহূর্ত, যেখানে রহমত, ক্ষমা ও আধ্যাত্মিক আলোর ছোঁয়া প্রতিটি মুমিনের অন্তরে প্রবাহিত হয়।
এসএইচ

আপনার মতামত লিখুন