রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-এ পরীক্ষা চলাকালে ঢুকে শিক্ষকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও এক নারী শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলার সময় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় কলেজ এলাকায় আগে থেকেই ১৪৪ ধারা জারি ছিল এবং পুলিশ মোতায়েন ছিল। এর মধ্যেই স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে হিসাব সংক্রান্ত বিষয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্য শিক্ষকদের ওপরও হামলা হয় এবং অফিস কক্ষে ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় অধ্যক্ষসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে চাঁদা দাবি করে আসছিল একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। দাবি পূরণ না করায় এ হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তারা অনিয়মের হিসাব চাইতে গেলে উল্টো তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং সেখান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।
দুর্গাপুর থানা পুলিশ জানায়, আগে থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা থাকায় পুলিশ উপস্থিত ছিল। তবে কিছু লোক জোর করে প্রবেশ করে হামলা চালায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-এ পরীক্ষা চলাকালে ঢুকে শিক্ষকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও এক নারী শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলার সময় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় কলেজ এলাকায় আগে থেকেই ১৪৪ ধারা জারি ছিল এবং পুলিশ মোতায়েন ছিল। এর মধ্যেই স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে হিসাব সংক্রান্ত বিষয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্য শিক্ষকদের ওপরও হামলা হয় এবং অফিস কক্ষে ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় অধ্যক্ষসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে চাঁদা দাবি করে আসছিল একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। দাবি পূরণ না করায় এ হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তারা অনিয়মের হিসাব চাইতে গেলে উল্টো তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং সেখান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।
দুর্গাপুর থানা পুলিশ জানায়, আগে থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা থাকায় পুলিশ উপস্থিত ছিল। তবে কিছু লোক জোর করে প্রবেশ করে হামলা চালায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন