অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্বল পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক জটিলতায় দেশের টিকাদান ও রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এতে ১১টি রোগের টিকা সংকট দেখা দিয়েছে এবং ১৫টি রোগের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অন্তত ২৬টি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে সংশ্লিষ্টরা জানান।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা সরবরাহ ও কর্মসূচি চালু না থাকায় হাম, রুবেলা, যক্ষ্মা, ডেঙ্গু, টাইফয়েডসহ একাধিক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অপুষ্টিজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণেও বড় ধাক্কা লেগেছে।
১৯৯৮ সাল থেকে চলমান স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচির আওতায় থাকা বহু অপারেশন প্ল্যান হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টিকা কেনা, বিতরণ এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়। এতে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হয়ে শিশুদের বড় একটি অংশ নির্ধারিত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়াই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে তারা সতর্ক করছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্বল পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক জটিলতায় দেশের টিকাদান ও রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এতে ১১টি রোগের টিকা সংকট দেখা দিয়েছে এবং ১৫টি রোগের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অন্তত ২৬টি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে সংশ্লিষ্টরা জানান।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা সরবরাহ ও কর্মসূচি চালু না থাকায় হাম, রুবেলা, যক্ষ্মা, ডেঙ্গু, টাইফয়েডসহ একাধিক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অপুষ্টিজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণেও বড় ধাক্কা লেগেছে।
১৯৯৮ সাল থেকে চলমান স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচির আওতায় থাকা বহু অপারেশন প্ল্যান হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টিকা কেনা, বিতরণ এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়। এতে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হয়ে শিশুদের বড় একটি অংশ নির্ধারিত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়াই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে তারা সতর্ক করছেন।

আপনার মতামত লিখুন