১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক তানভীর (২৪) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোষবিলা গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি ওই গ্রামের একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে আলমডাঙ্গার ওই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়াশোনার জন্য ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসায় থাকত। সেখানে বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার অফিস কক্ষে ওই শিক্ষক তাকে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক দিন আগে শিশুটিকে মাদরাসার দোতলার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। এ ঘটনা কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে শিশুটিকে হুমকি দেওয়া হয়।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে স্বজনদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে হরিণাকুণ্ডু থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা হওয়ায় সেখানে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিতে হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক তানভীর (২৪) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোষবিলা গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি ওই গ্রামের একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে আলমডাঙ্গার ওই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়াশোনার জন্য ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসায় থাকত। সেখানে বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার অফিস কক্ষে ওই শিক্ষক তাকে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক দিন আগে শিশুটিকে মাদরাসার দোতলার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। এ ঘটনা কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে শিশুটিকে হুমকি দেওয়া হয়।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে স্বজনদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে হরিণাকুণ্ডু থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা হওয়ায় সেখানে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন