প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৫০ টাকার নিচে কোনো ফুল পাওয়া যাচ্ছে নাা
||
ভালোবাসা দিবস এলেই শহরের রঙ বদলে যায়। ফুটপাত, মোড়, পার্ক এবং ব্যস্ত সড়কের ধারে ধারে বসে যায় অস্থায়ী ফুলের দোকান। লাল গোলাপ এই দিনগুলোতে যেন ভালোবাসার সরকারি মুদ্রা।বরাবরের মতো এবারও গোলাপের দাম আগুন ছুঁয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ৫–১০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি গোলাপ এখন খুচরা বাজারে ৫০–৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ফুলের দামও চড়া; ৫০ টাকার নিচে কোনো ফুল পাওয়া যাচ্ছে না।রাজধানীর রামপুরা ও খিলগাঁও এলাকায় শনিবার সকালে দেখা গেছে, পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী ফুলের দোকান বসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশেষ দিবসগুলোতে, বিশেষ করে গোলাপের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়ে যায়। তবে বিক্রি এবার কম।ক্রেতারা দাম বাড়ায় বিরক্ত। সালামবাগে একদিনের জন্য দোকান দেওয়া সোহেল বলেন, কয়েকদিন আগে তিনি ৫ টাকায় গোলাপ কিনেছেন, আজ পাইকারি মূল্য ৩০–৪০ টাকা। ভাড়া, নষ্ট হওয়া ফুল সব মিলিয়ে ৬০ টাকা না হলে লাভ হয় না। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাত্র একটি গোলাপ বিক্রি হয়েছে। হাজীপাড়ায় ভ্যানে ফুল বিক্রি করা মিজান বলেন, একটি লাল গোলাপ ভালোটা ৭০ টাকা, দুর্বলটা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ফুলের তোড়া ১০০ টাকায়। তিনি বলেন, আজ একদিনের জন্য দোকান, আগামীকালের দাম কী হবে জানা নেই।ক্রেতা মো. সজিব বলেন, ৫০–৭০ টাকার গোলাপ দেখে তিনি কিনতে চাননি। খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের রফিক জানান, এবার বিক্রি কম, তাই দামও কম। আগের বছর বিক্রি বেশি হলে ১০০–১৫০ টাকায় বিক্রি হতো।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর জানান, ৬০ টাকায় গোলাপ কিনেছেন। দাম বেশি হলেও প্রিয়জনকে দেওয়ার জন্য কিনতে বাধ্য হয়েছেন। নুসরাত জাহান বলেন, ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে পকেট খালি হচ্ছে; উৎসবে দাম বাড়া বন্ধ হওয়া উচিত।তিনি বলেন, ভালোবাসা শুধুই এক দিনের জন্য নয়। দাম বেশি কিনলে মানুষ ভুগে, তাই সাধারণ মানুষ বেশি দামে ফুল না কিনলেই দাম স্বাভাবিক হবে।এসএইচ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত